স্মার্ট জেলা হতে বাক্কো’র সহায়তা চেয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক
জেলাপ্রশাসক সম্মেলনে দেশের প্রথম স্মার্ট জেলা হিসেবে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের দেয়া কোটি টাকার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক। সেকারণেই বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। আর এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রশাসনের জনশক্তিকেও স্মার্ট করতে ‘ওয়ার্কিপ্লেস হেলথ অ্যান্ড সেফটি এবং প্রশাসনের অধীন ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তরুণদের ভাষা ও মনো-সাংস্কৃতিক উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত হবে ‘ফস্টারিং বিপিও ইন্ডাস্ট্রি টু অ্যাচিভ স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক পলিসি ডায়লগ সেশন আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে এই আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বাক্কো পরিচালক আহমেদুল ইসলাম বাবু’র সঞ্চালনায় সভায় সংগঠনের লোকাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট উপকমিটির চেয়ারম্যান মির্ধা মোঃ মাহফুজ-উল-হক চয়ন, চেয়ারম্যান স্নাতক পাশ ফ্রেশ গ্রাজ্যুয়টদের কর্মদক্ষতা গড়ে তুলতে চলমান উদ্যোগ, কর্মপরিসর ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সভায় বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সরকারি সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি, শিক্ষক, উদ্যোক্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা বিপিও খাত নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
সবার বক্তব্য শুনে এক মাসের মধ্যে যুব অধিদপ্তর, শিক্ষ অধিদপ্তর, মহিলা অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বাক্কো কার্য নির্বাহী কমিটির বৈঠক করে সমন্বিত ভাবে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের জন্য একটি বর্ষপঞ্জি তৈরির নির্দেশনা দেন জেলা প্রশসাক মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান।
বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্রের নতুন দিগন্ত’ শিরোনামে এক দক্ষতা উন্নয়নভিত্তিক সেমিনারের মধ্য দিয়ে শেষ হবে “বিভাগীয় বিপিও সামিট ২০২৩।
বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া দুই দিনের চট্টগ্রাম সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন, সিভি সংগ্রহ এবং চাকুরি মেলা। আগামী ২২-২৩ ঢাকায় হবে বার্ষিক বিপিও সম্মেলন।







